উত্যক্ত করা

অনেকে বলে ইভটিজিং অনেক কমে গেছে। এই কথাটা একে বারেই মিথ্যা মনে হয় আমার কাছে। আজও আমি ইভটিজিং এ শিকার হয়েছি। যারা এই হয়রানির শিকার হয় তারা জানে। হ্যা এটা শুধু ছেলেরা করে না, মেয়েরাও করে। এই উত্যক্ত করার প্রবণতা মুটেও কমেনি। আমি কুমিল্লা শালবন বিহারে একটা ছাত্র পড়াই। সেই সুবাদে আমাকে এই বিহারের মধ্যে দিয়ে চলাচল করতে হয়। প্রায় প্রতিদিনই আমার বিভিন্ন বাজে কথা হজম করতে হয়। কাউকে কিছু বলিনা, ভয় করে যদি কিছু বললে আমাকে আরো খারাপ কথা শুনিয়ে দেয়! অনেকে বলে প্রতিবাদ করবি, কিন্তু কাজটা এতটা সহজ না আমার জন্য। টিউশনির সূত্রে আমি একাই যাই, ওখানে দলে দলে ছেলেরা ঘুরতে আসে, তারা ভাবে মেয়েটাও মনে হয় ঘুরতে আসছে একটু মজা নেই। এই মজা নেয়াটা কতটা বিব্রতকর তারা তা জানে না। সবকিছু হজম করে নেই। যখন বন্ধুদের সাথে ঘুরতে যাই তখন তাদের সতর্ক করি, কাউকে যাতে টিজ না করে। কারন আমি জানি কতটা খারাপ লাগে। মেয়েরাও ছেলেদের উত্যক্ত করে, ওই দিন হলের এক নেত্রি আমাকে এসে বলতেছে, আজকে তোর এট স্যারকে টিজ করে আসছি, বলেই হা হা করে হাসতেছে। আমি ওই মেয়ের দিকে তাকিয়ে আছি, আর মনে হল আমাকে যারা টিজ করছিল তাদের হিংস্র চেহারাগুলো ওই মেয়ের মুখে যেন ভাসছে।

Leave a Comment